শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ সারাদেশ জাতীয় আন্তর্জাতিক অর্থ ও বাণিজ্য খেলা চাকরি জীবনযাপন বিনোদন

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপলোড তারিখঃ ০২-০৯-২০২৬ ইং
দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে: ভারতীয় হাইকমিশনার

নিউজফিল্ড রিপোর্ট:

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভারতের হাইকমিশনার।

‘সব পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে’

দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বিভিন্ন পর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান দীনেশ ত্রিবেদী।

সাক্ষাতে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ সময় ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান হাইকমিশনার।

সংসদীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তার মতে, এটিই গণতন্ত্রের অন্যতম সৌন্দর্য।

সাক্ষাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াজগতের অভিজ্ঞতারও প্রশংসা করেন তিনি।

বৈঠকে রোহিঙ্গা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ

স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে।

তিনি ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে সে সময় জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আবার গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির পথ সুগম হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘সরকারকেন্দ্রিক নয়, সম্পর্ক হতে হবে জনগণকেন্দ্রিক’

স্পিকার বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এতদিন অনেকাংশে সরকারকেন্দ্রিক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রেখে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

স্পিকারের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সংসদীয় সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।



কমেন্ট বক্স
notebook

আমরা দেশকে পুনর্গঠন করতে চাইলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী