সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ সারাদেশ জাতীয় আন্তর্জাতিক অর্থ ও বাণিজ্য খেলা চাকরি জীবনযাপন বিনোদন

বিটকয়েনের পতন অব্যাহত, ৭০ হাজার ডলারের নিচে নামবে দাম!

  • আপলোড তারিখঃ ০৫-০২-২০২৬ ইং
বিটকয়েনের পতন অব্যাহত, ৭০ হাজার ডলারের নিচে নামবে দাম!

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের দরপতন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দাম আরও কমে ৭০ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসার পথে রয়েছে।বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে বিটকয়েনের দাম ৩ শতাংশের বেশি কমে ৭০ হাজার ৫২ ডলার ৩৮ সেন্টে নেমে আসে। ২০২৪ সালের নভেম্বরের পর এটিই এর সর্বনিম্ন স্তর।বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথারও প্রায় ২ শতাংশ কমে ২ হাজার ৮৬ ডলার ১১ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের মে মাসের পর প্রথমবারের মতো এটি ২ হাজার ডলারের নিচে নামতে পারে।

 
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই বড় দরপতনের পেছনে অন্যতম কারণ কেভিন ওয়ার্শকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়নের সম্ভাবনা। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ফেডের ব্যালেন্স শিট ছোট করতে পারেন; যা ক্রিপ্টো বাজারের জন্য নেতিবাচক সংকেত।
 
বিটকয়েন এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে ৭ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। ফলে চলতি বছরে এর ক্ষতি প্রায় ২০ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে ইথারের দর কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ।ক্রিপ্টোকারেন্সিকে সাধারণত বড় ব্যালেন্স শিটের সুবিধাভোগী হিসেবে দেখা হয়। কারণ ফেড যখন বাজারে বেশি তারল্য দেয়, তখন বিটকয়েনসহ ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের দাম বাড়তে দেখা যায়। জুলিয়াস বেয়ার-এর ‘নেক্সট জেনারেশন রিসার্চ’ দলের ম্যানুয়েল ভিলেগাস ফ্রান্সেশি বলেন, বাজার কেভিন ওয়ার্শকে নিয়ে আতঙ্কিত। তবে ছোট ব্যালেন্সশিট ক্রিপ্টোর জন্য বড় বাধা হবে না।
 
গত বছরের অক্টোবরে রেকর্ড দরপতনের পর থেকেই ক্রিপ্টো বাজার কয়েক মাস ধরে চাপে রয়েছে। তখন লিভারেজড পজিশনগুলো দ্রুত বিক্রি হয়ে যাওয়ায় বিটকয়েন শীর্ষ থেকে নেমে আসে। এর প্রভাব এখনও বাজারে রয়ে গেছে। ফলে ডিজিটাল সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং সামগ্রিকভাবে ক্রিপ্টো শিল্প নিয়ে হতাশা বাড়ছে।
 
ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষকরা এক নোটে জানিয়েছেন, এই বড় পতনের মূল কারণ প্রাতিষ্ঠানিক বিটকয়েন ইটিএফ থেকে ব্যাপক অর্থ তুলে নেয়া। ২০২৫ সালের অক্টোবরের পতনের পর থেকে প্রতি মাসেই এসব তহবিল থেকে কোটি কোটি ডলার বেরিয়ে গেছে।
 
তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে মার্কিন স্পট বিটকয়েন ইটিএফ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ তুলে নেয়া হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর ও নভেম্বরে যথাক্রমে প্রায় ২ বিলিয়ন ও ৭ বিলিয়ন ডলার বেরিয়ে যায়। ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষকরা বলেন, এই ধারাবাহিক বিক্রি দেখায় যে ঐতিহ্যবাহী বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টোতে আগ্রহ হারাচ্ছেন এবং বাজারে হতাশা বাড়ছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার