মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ সারাদেশ জাতীয় আন্তর্জাতিক অর্থ ও বাণিজ্য খেলা চাকরি জীবনযাপন বিনোদন

ইরানের হুমকি, ট্রাকে লুকিয়ে সামরিক জেটে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প

  • আপলোড তারিখঃ ১১-০৮-২০২৬ ইং
ইরানের হুমকি, ট্রাকে লুকিয়ে সামরিক জেটে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প

ইরানের হুমকির আশঙ্কায় ট্রাম্পের গোপন সামরিক ফ্লাইট, জানাল ওয়াশিংটন পোস্ট

নিউজফিল্ড ডেস্ক:

ইরানের সম্ভাব্য হুমকির আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্ক থেকে যুক্তরাজ্যে ফেরার সময় গোপনে একটি সামরিক বিমানে যাত্রা করেছিলেন বলে দাবি করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের আঙ্কারায় যাওয়ার সময় কাতারের উপহার দেওয়া সদ্য সংস্কার করা একটি উড়োজাহাজ ব্যবহার করেছিলেন। তবে তুরস্ক ছাড়ার সময় তিনি প্রকাশ্যে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন এবং পরে গোপনে অন্য একটি সামরিক বিমানে করে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন বিমানটি ছিল ট্রাম্পের ওই সফরের প্রথম আন্তর্জাতিক যাত্রায় ব্যবহৃত উড়োজাহাজ। একই সময়ে তুরস্কের প্রতিবেশী দেশ ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিও উত্তপ্ত ছিল।

ক্যাটারিং ট্রাকে করে অন্য বিমানে নেওয়ার দাবি

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঙ্কারা বিমানবন্দরে ক্যামেরার সামনে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার পর ট্রাম্পকে গোপনে একটি ক্যাটারিং ট্রাকে করে বিমানবন্দরের অন্য অংশে নেওয়া হয়।

সেখান থেকে তাকে মার্কিন বিমানবাহিনীর ছোট আকারের সি-৩২এ বিমানে তোলা হয় বলে মার্কিন এক কর্মকর্তা এবং ট্রাম্পের সফর সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সি-৩২এ বিমানটি রাত প্রায় ১০টা ২০ মিনিটে যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটিতে পৌঁছায়। এর কয়েক মিনিট পর পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান এবং ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরাও সেখানে পৌঁছান।

পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহারের ব্যাখ্যা ট্রাম্পের

তুরস্ক থেকে যুক্তরাজ্যের আরএএফ মিলডেনহল ঘাঁটিতে যাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন।

তিনি জানান, ‘পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণের জন্য’ তিনি হালকা নীল রঙের পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করে আঙ্কারা থেকে আরএএফ মিলডেনহলে যাবেন। একই সময়ে নতুন বিমানটিও সেখানে নেওয়া হবে, যাতে ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাসদস্যরা বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ পান।

তবে গোপনে তৃতীয় একটি বিমানে ট্রাম্পের যাত্রার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর নতুন বিমানটির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

‘প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে চায় অনেক শত্রু’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভ চেউংয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, কাতারের দেওয়া জেটটিতে উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থা প্রেসিডেন্ট ও তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট নিজেই সম্প্রতি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শত্রু রয়েছে যারা তাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এসব হুমকি মোকাবিলায় প্রশাসন হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করবে।

এদিকে, এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও পেন্টাগন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ট্রাম্পের গোপন সামরিক ফ্লাইটের বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।



কমেন্ট বক্স
notebook

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি